Description
‘একজন পুরুষ একজন নারীকে দেখে শুনে বুঝে গুনাগুন বিচার করে তবেই স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করে। এই নির্বাচনের সময় ব্যক্তিটির প্রেম-প্রীতি-আদর-সোহাগের পূর্ণ ফোকাসটি সেই নারীটির ওপর ব্যপ্ত হয়। জীবনসঙ্গিনী হিসেবে সেই অনাত্মীয় সুকোমল বৃত্তির অধিকারিণী এক অপরিপক্ক মন আর দুরু দুরু বুকে কল্পনা রাজ্যের এক অজানা আশঙ্কার বড় মেঘ মাথায় নিয়ে পতিগৃহে প্রবেশ করে।
কল্পনার বুনটে ঠাসা পরম সুখের উল্লাসে প্রমত্ত থাকা পুরুষটিও সাধ্যানুযায়ী নব রাজসুন্দরীকে বরণ করতে কোন অংশে কসুর করে না।
অনাগত নববধূটি পারিবারিকভাবে তার নতুন ঠিকানায় আস্তে আস্তে থিতু হয়। সময়ের হেরফেরে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আত্মমর্যাদাবোধ গড়ে ওঠে। পেলব মনের অধিকারী সেই কামিনী সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একদিন নারী হয়ে ওঠে। হয়ে ওঠে সে একজন মা। তার কোলকে আলো করে আসে এক বা একাধিক নয়নপুত্তলি। সুখ-দুঃখ,আলো-আঁধারির আবিল আর অনাবিলতার কুহেলিকায় পরিবার হয় সমৃদ্ধ।
এইভাবে সংসার সমুদ্রের ঘূর্ণিপাকে পিতা-মাতার আবির্ভাব। এই পিতা-মাতার দ্বারাই আমরা লালিত-পালিত হয়ে থাকি।’






